| ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১৩ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি September 24, 2026, 3:14 am
শিরোনাম :
“নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে গোপালগঞ্জ পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষন” গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে নবীন বরণ: দেশপ্রেম ও নেতৃত্ব বিকাশের আহ্বান ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে রক্তক্ষরণ: কাশিয়ানীতে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে ঝরল ২ প্রাণ, চালকদের বেপরোয়া গতিতে মহাসড়কে আতঙ্ক বাস-কনটেইনারের ভয়াবহ সংঘর্ষে পথচারীর মর্মান্তিক মৃত্যু নেত্রকোনার মদন ফতেপুর সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে হাজার মানুষ হেদায়েত তুর্কীর ‘বেগম পাড়া’ দিয়ে শাহীন আহমেদ রাজের সহকারী পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ দিঘলিয়ায় বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত  মাঠ কাঁপানো ক্রিকেটার থেকে ঢালিউড ও ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ: হেদায়েত উল্লাহ তুর্কীর রঙিন পথচলা নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ লুৎফুজ্জামান বাবর সংসদ সদস্য এর উদ্যোগে মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরির বিএনপি’র ৪৭ নেতাকর্মী ওমরাহ যাচ্ছেন

অফিস চলাকালে কর্মকর্তার চেম্বার বন্ধ, অযথা জ্বলছে লাইট-ফ্যান

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেটের সময়: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
  • 21 সময় দেখুন

ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামে অনিয়মের অভিযোগ—তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নাগরিক সমাজের

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি।।
খুলনার ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামে অফিস চলাকালীন সময়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আমিনুর রহমান বুলবুলের চেম্বার দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে অফিস সহায়কের কক্ষেও দীর্ঘ সময় কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে ওই কক্ষে লাইট ও ফ্যান এবং পাশের একটি কক্ষে লাইট জ্বলতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকার যখন বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও অপচয় রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তখন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে অফিস চলাকালীন সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি এবং প্রয়োজন ছাড়া বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালু রাখার অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সরকারি সম্পদ ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব। অথচ অফিস চলাকালীন সময়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কক্ষ বন্ধ থাকা এবং অপ্রয়োজনে লাইট-ফ্যান চালু থাকার বিষয়টি সরকারি দপ্তরের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে ডুমুরিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আমিনুর রহমান বুলবুলের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে স্থানীয় নাগরিক সমাজের কয়েকজন সদস্য বলেন, সরকারি অফিস জনগণের অর্থে পরিচালিত হয়। সেখানে দায়িত্বে অবহেলা, অফিস সময়ে অনুপস্থিতি কিংবা বিদ্যুতের অপচয়ের অভিযোগ থাকলে বিষয়টি হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।
তারা আরও বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

নাগরিক সমাজের বক্তব্য, “সরকারি সম্পদের অপচয় বন্ধ এবং প্রতিটি সরকারি দপ্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত হবে। তাই অভিযোগটি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর