
কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম
গত পরশুদিন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের অধীনে উস্তি থানার পুলিশ উস্তি ব্লক উন্নয়ন বোর্ড এর পূর্ত ও পরিবহন দপ্তরের কর্মধক্ষ্য তৌফিক আহমেদ মোল্লা ওরফে বাচ্চু কে গ্রেপ্তার করে তোলাবাজি এবং বেআইনি অস্ত্র আইনে। বর্তমানে, তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে উস্তি থানার পুলিশ। আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ সুপার শ্রী চন্দ্রশেখর বর্মন আই পি এস বলেন,ধৃত তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও মগরাহাট পশ্চিমের ব্লক উন্নয়ন বোর্ড পূর্ত ও পরিবহন দপ্তরের কর্মধক্ষ্য তৌফিক আহমেদ এর কাছ থেকে উদ্ধার করা নাইন এম এম পিস্তল ও দেশি ওয়ান সাটার এবং নয় রাউন্ড তাজা গুলি। ধৃত তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও পূর্ত ও পরিবহন দপ্তরের কর্মধক্ষ্য তৌফিক আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে উস্তি থানা এলাকায় তোলাবাজি এবং বেআইনি জমি দখল ও বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের উপর জুলুম ও মারধর করতেন। সেই সঙ্গে ধৃত তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা গ্রেফতার হওয়া পূর্ত ও পরিবহন দপ্তরের কর্মধক্ষ্য তৌফিক আহমেদ মোল্লা ২০১৮, সালে সর্বভারতীয় বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী জে পি নাড্ডার উপর হামলা চালায় উস্তি থানার অন্তর্গত শিরাকোল মোড়ে। ধৃত ব্যাক্তি র বিরুদ্ধে উস্তি থানা এলাকায় বহু অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গা ঢাকা দিয়ে বিভিন্ন যায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। উস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ শ্রী রাহুল কুমার কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে। তিনি দেরী না করে সুন্দর বন জেলা পুলিশের অধীনে মন্দির বাজার থানা এলাকায় থেকে তার শশুর বাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত ব্যাক্তি কে আগামী কাল ডায়মন্ড হারবার মহাকুমা আদালতে হাজির করা হবে। এবং ধৃত ব্যাক্তি কে আবার জিজ্ঞেস করার জন্য পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ সুপার শ্রী চন্দ্রশেখর বর্মন আই পি এস। আজকে যখন ধৃত তৌফিক আহমেদ মোল্লা কে পুলিশ সুপারের সামনে তখন সেই সময় উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিতাভ মজুমদার আই পি এস এবং ডায়মন্ড হারবার মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক শ্রী বিজয় কুমার যাদব এবং উস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ শ্রী রাহুল কুমার।