| ২২শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি November 7, 2026, 5:14 pm
শিরোনাম :
মদনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মদনের তিয়শ্রী উত্তরপাড়া জামে মসজিদে মাওলানা সাইফুল ইসলামের ইসলামি আলোচনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ভার্চুয়ালি মদনে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ক্রীড়া উৎসবের শুভ উদ্বোধন ​খুলনাকে আবারও শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মগরাহাট পশ্চিমের ব্লক তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা গ্রেপ্তার হওয়ায় দিপাবলি আগেই দিপাবলির আনন্দ শুরু উস্তিতে গ্রেপ্তার মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি ইমরান মোল্লা অভিষেক ঘনিষ্ঠ সামিম আহমেদের ডায়মন্ড হারবারের পার্টি থেকে মিলল দুই কোটি টাকার অধিক নগদ অর্থ কেন্দ্রীয় ও পশ্চিম বাংলা সরকারের উদ্দোগে শুরু হতে চলেছে ভি ভি রাম জী প্রকল্পের কাজ, তার সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্গোৎসব ও বিজয়া পালনের উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার শ্রী চন্দ্রশেখর বর্মন নেত্রকোণা মদনে জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ ফলাফলে শীর্ষে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাথি হাম জনিত ভাইরাস:৩ মাসে ৪ শিশুর মৃত্যু

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেটের সময়: সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২৬
  • 93 সময় দেখুন

সাকিব আল হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাসজনিত ব্যাধি হাম। সদর, শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শিশুদের মধ্যে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দ্রুত বাড়ছে। গত ৩ মাসে হামে আক্রান্ত হয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে প্রায় ৬০০ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।

জেলার শিশু ও নবজাতক বিভাগের কনসালট্যান্ট মাহফুজ রায়হান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যা প্রতি দিন বাড়ছে। হাসপাতালে শযা সংকট দেখা দেওয়ায় শতাধিক শিশু মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। এসব শিশুর বয়স ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে অনেকেই এখনো পূর্ণাঙ্গ টিকাদান কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত নয়।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে দেখা গেছে, হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা মাত্র ২০টি। অথচ ভর্তি রয়েছেন অন্তত ৭০ জন। এদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু। ফলে শয্যা না পেয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে মেঝেছে। অনেকে মেঝেতে স্থান না পেয়ে ঠাঁই নিয়েছেন সিঁড়িতে।

হাসপাতালের কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ডকে অস্থায়ী আইসোলেশন ওয়ার্ড বানিয়ে সেখানে শতাধিক রোগীকে গাদাগাদি করে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মারাত্মক ঝঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য একটিও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) নেই। শিশুদের স্বজনরা বলছেন, হাম ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় চিকিৎসকরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু ধারণ ক্ষমতার একটি ওয়ার্ডে কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন।

সদর উপজেলার সুন্দর ইউনিয়নের বাসিন্দা আশরাফুল। হামে আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুর বাবা হোসেন আলী বলেন, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম সাধারণ জ্বর। কিন্তু শরীরে লাল দানা উঠতে শুরু করলে ভয় পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে আসি। এখানে আসার পর দেখছি অনেক শিশু এই রোগে ভুগছে। রোগীর চাপে সেবা পেতে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’

একই ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা অপর শিশুর মা রুবাইদা বলেন, ‘আমার বাচ্চার বয়স মাত্র আট মাস। জানতাম না এত ছোট শিশুদেরও এই রোগ হতে পারে। আশপাশে আরও অনেকের হচ্ছে শুনে খুব আতঙ্কে আছি।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দিন বলেন, সংক্রমণ রোধে আক্রান্তদের আলাদা রাখা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা এবং শিশুদের ভিড় এড়িয়ে চলা জরুরি। কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া আবশ্যক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর