| ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি November 6, 2026, 4:47 pm
শিরোনাম :
গ্রেপ্তার মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি ইমরান মোল্লা অভিষেক ঘনিষ্ঠ সামিম আহমেদের ডায়মন্ড হারবারের পার্টি থেকে মিলল দুই কোটি টাকার অধিক নগদ অর্থ কেন্দ্রীয় ও পশ্চিম বাংলা সরকারের উদ্দোগে শুরু হতে চলেছে ভি ভি রাম জী প্রকল্পের কাজ, তার সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্গোৎসব ও বিজয়া পালনের উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার শ্রী চন্দ্রশেখর বর্মন নেত্রকোণা মদনে জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ ফলাফলে শীর্ষে দেওয়ালীর ও ছটপূজার আগে চা শ্রমিকদের জন্য এককালীন পাঁচ হাজার টাকা ও পঞ্চাশ কেজি খাদ্য বিতরণের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মদনে ৪ উপজেলার আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ‘শেয়ার প্রোফাইল হালনাগাদ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত “একটি বিশেষ ঘোষণা ” খুলনার খবর হতে  স্থায়ীভাবে অব্যাহতি গ্রহন।  আমতলীতে জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে ৩৬ তরুণ-তরুণীকে নিয়ে কর্মশালা আজ কলকাতার রাজপথে গনতন্ত্র রক্ষা ও অরাজকতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে মাঠে বিজেপি র নেতৃত্ব

স্বাধীনতা দিবসে অবহেলা! চিলমারীতে একই এলাকায় দুই প্রতিষ্ঠানে বিপরীত চিত্র

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২৬
  • 380 সময় দেখুন

কুড়িগ্রাম, চিলমারী প্রতিনিধি: নুর আমিন কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার বালাবাড়ী হাট এলাকায় মহান স্বাধীনতা দিবস (২৬শে মার্চ) উপলক্ষে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী চিত্র, যা স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

জাতির গৌরব, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের এই দিনে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা। তবে বাস্তবে একই এলাকায় অবস্থিত দুটি প্রতিষ্ঠানে দেখা গেছে দায়িত্ববোধের স্পষ্ট পার্থক্য।

একদিকে, “ক,ব, মহিউচ্ছুন্নত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়” যথাসময়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির মর্যাদা রক্ষা করেছে।
অন্যদিকে, “বালাবাড়ী হাট সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা”-তে সকাল ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্তও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি। প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ ছিল নীরব এবং দিবস পালনের কোনো আয়োজন চোখে পড়েনি।
এই ভিন্ন চিত্র স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিস্ময় ও ক্ষোভ।
এক পাশে দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের প্রতিফলন, অন্য পাশে উদাসীনতা—যা স্বাভাবিকভাবেই তুলছে নানা প্রশ্ন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য,
“স্বাধীনতা দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এমন অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শনের বিষয়।”

নির্ধারিত সময়েও কেন পতাকা উত্তোলন করা হয়নি?
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কোথায় ছিলেন?
জাতীয় দিবস পালনে এমন অবহেলার দায় কে নেবে?

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় দিবস পালনের বিষয়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর