
গোসবা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।। মহাপ্রলয় অর্নব সাইক্লোন তান্ডবে ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গভীর সুন্দর বন বিভাগের বাসন্তী এলাকার হোগল নদীর বাঁধ ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে দশ বারোটা পরিবারের সদস্যরা।
অন্ধ্রপ্রদেশের ও উড়িষ্যার উপকূলীয় এলাকায় ভয়াবহ অর্নব সাইক্লোন ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেই সঙ্গে বিশাখাপাত্তানাম এবং উড়িষ্যার উপকূলীয় এলাকা গোপালপুর পারা দ্বীপ বন্দর এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।এর প্রভাব বিস্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গের দুই মেদিনীপুর জেলা এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হাওড়া, হুগলি সহ অন্যান্য জেলায়।
এদিন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার গভীর সুন্দর বন বিভাগের বাসন্তী এলাকার রাধাবল্লাবপুর এলাকায় সজোনেতলায় হোগল নদীর বাঁধ ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে দশ বারোটা পরিবারের সদস্যরা। গভীর রাতে ঘুমাতে থাকা অবস্থায় হোগল নদীর বাঁধ ভেঙ্গে হুড়মুড়িয়ে নদীর পানি ঢুকে পড়ে বাড়ির ভিতরে। সেই প্রবল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়ে বাড়ি ঘর ভেঙে ঢুকে পড়ে নদীর জল। কিছু বোঝার আগেই সব শেষ হয়ে যায়।
ভয়ঙ্কর অর্নব সাইক্লোন ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গভীর সুন্দর বন এইভাবে প্রভাব বিস্তার করবে কেউ বুঝতে পারেনি। তবে আগে থেকেই আগাম সতর্কতা বার্তা জারি করে বারুইপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় হতে।এই ঘটনার পর ঘটনার স্থানে পৌঁছে যায় গোসবার বিধায়ক শ্রী বিকরন নস্কর সহ অন্যান্য বিজেপি র সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ। উদ্ধার কাজে হাত দিয়েছে বাসন্তী থানার পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে গোসবার বিধায়ক শ্রী বিকরন নস্কর এবং নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি নির্মাণ করতে সবধরনের সহযোগিতা করবেন বলে জানান।এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন গোসবার বিধায়ক শ্রী বিকরন নস্করের পি এ শ্রী প্রতাপ হাজরা।