| ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি November 6, 2026, 6:03 pm
শিরোনাম :
গ্রেপ্তার মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি ইমরান মোল্লা অভিষেক ঘনিষ্ঠ সামিম আহমেদের ডায়মন্ড হারবারের পার্টি থেকে মিলল দুই কোটি টাকার অধিক নগদ অর্থ কেন্দ্রীয় ও পশ্চিম বাংলা সরকারের উদ্দোগে শুরু হতে চলেছে ভি ভি রাম জী প্রকল্পের কাজ, তার সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্গোৎসব ও বিজয়া পালনের উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার শ্রী চন্দ্রশেখর বর্মন নেত্রকোণা মদনে জোবাইদা রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ ফলাফলে শীর্ষে দেওয়ালীর ও ছটপূজার আগে চা শ্রমিকদের জন্য এককালীন পাঁচ হাজার টাকা ও পঞ্চাশ কেজি খাদ্য বিতরণের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মদনে ৪ উপজেলার আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ‘শেয়ার প্রোফাইল হালনাগাদ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত “একটি বিশেষ ঘোষণা ” খুলনার খবর হতে  স্থায়ীভাবে অব্যাহতি গ্রহন।  আমতলীতে জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে ৩৬ তরুণ-তরুণীকে নিয়ে কর্মশালা আজ কলকাতার রাজপথে গনতন্ত্র রক্ষা ও অরাজকতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে মাঠে বিজেপি র নেতৃত্ব

খুলনা শহরের বিভিন্ন স্থানে অনলাইন জুয়ার রমরমা ব্যবসা: প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেটের সময়: বুধবার, এপ্রিল ১, ২০২৬
  • 310 সময় দেখুন

এস.এম.শামীম, খুলনা।।দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম ব্যস্ত নগরী খুলনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় দিন দিন বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার। মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র গোপনে পরিচালনা করছে এই অবৈধ ব্যবসা, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, চায়ের দোকান, এমনকি কিছু গোপন আস্তানায় বসেই চলছে অনলাইন বেটিং ও জুয়ার কার্যক্রম। ক্রিকেট ম্যাচ, অনলাইন ক্যাসিনো গেমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা লেনদেন হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এ ধরনের জুয়ায় জড়িয়ে পড়ছে। অনেকেই দ্রুত অর্থ উপার্জনের আশায় এই পথে ঝুঁকছে, যা তাদের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। পরিবারগুলোও বিষয়টি নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছে।একাধিক অভিভাবক জানান, তাদের সন্তানরা রাত জেগে মোবাইলে ব্যস্ত থাকে, কিন্তু পরে জানা যায় তারা অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এতে করে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয়ও বাড়ছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি মোবাইল অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে গোপনে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অনেক ক্ষেত্রে বিকাশ ও অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে টাকা লেনদেন করা হচ্ছে, যা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি চক্র শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে এ ধরনের অপরাধ দমন কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছে।

সচেতন মহল মনে করছে, এ সমস্যা মোকাবেলায় প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। একই সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এটি আরও বড় সামাজিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠোর আইন প্রয়োগ ও নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর