
নিজস্ব প্রতিবেদক | দিঘলিয়া (খুলনা)
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা ভূমি অফিসের ভিপি সহকারী শেখ মো. ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা পেতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায় করা হয় এবং অর্থের বিনিময়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে বিভিন্ন আবেদন দীর্ঘদিন ফেলে রাখা হয়। অন্যদিকে অর্থের বিনিময়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হয়। এতে সাধারণ মানুষ চরম হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ‘ক’ তালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও অন্য এক ব্যক্তির নামে ডিসিআর প্রদান করা হয়েছে, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে অভিযোগকারীদের দাবি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়াও নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, প্রভাবশালীদের অগ্রাধিকার এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়রা দিঘলিয়া ভূমি অফিসে সংঘটিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, তদন্ত হলে আরও অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ বিষয়ে ভিপি সহকারী শেখ মো. ওমর ফারুকের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।