
কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম
আজ বৈকালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিমের উস্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য জয়ন্ত মাইতিকে গরীব মানুষের সরকারি অনুদান ও ঘরের টাকা থেকে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে তাকে কোমরে দড়ি বেঁধে রাস্তায় প্রকাশ্যে ঘুরিয়েছেন উস্তি থানার পুলিশ। দীর্ঘদিন তৃনমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকার সময় বিভিন্ন সময়ে এই সদস্য সাধারণ অসহায় গরীব মানুষের ঘর বাড়ি দেওয়ার সরকারি অনুদান ও ঘরের টাকা পাইয়ে দেয়ার নামে মোটা অংকের টাকা কাটমানি নিয়েছে। অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও উস্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য জয়ন্ত মাইতি নাকি আবার মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক সামিম আহমেদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তিনি ২০২৬,শে মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সামিম আহমেদ কে জয়ী করার লক্ষ্যে দিনরাত এক করেছেন। এবং সূত্রে র খবর অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও উস্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য জয়ন্ত মাইতি নাকি আইপ্যাকের হয়ে কাজ করেছেন। এবং সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখিয়ে তৃনমূল কংগ্রেসের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিলেন।তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হওয়ার পর ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের উস্তি থানার বর্তমান দক্ষ পুলিশ অফিসার ইনচার্জ শ্রী রাহুল কুমার তদন্ত শুরু করেন, এবং অভিযুক্ত কে কোমরে দড়ি বেঁধে রাস্তায় প্রকাশ্যে ঘুরিয়েছেন। এবং এমন ঘটনা র সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগামী দিনে প্রমাণ পেলে অবশ্যই মগরাহাট পশ্চিমের যে কোন দলের সমর্থক ও সদস্য কে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। ভোট পরবর্তী সময়ে পশ্চিম বাংলার ক্ষমতা দখল করে বিজেপি ও পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দুর্নীতি মুক্ত পশ্চিম বাংলা গড়ার ডাক দেয়। এবং যারা দুর্নীতি র সাথে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবার কথা ঘোষণা করেন। এবং পশ্চিম বাংলার উপ মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি দলের নেতা এবং পঞ্চায়েত মন্ত্রী শ্রী দিলীপ ঘোষ ঘোষণা করেন যে যারা পঞ্চায়েতের মাধ্যমে সরকারের অনুদান ও ঘরের টাকা থেকে কাটমানি খেয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন। সেই নির্দেশ ইতিমধ্যেই পশ্চিম বাংলার বিভিন্ন জেলায় এসেছে। এবং তদন্ত চলছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিমের বিভিন্ন অঞ্চল ও বুথে বুথে যারা গরীব অসহায়দের কাছ থেকে সরকারি অনুদান ও ঘরের টাকা থেকে কাটমানি খেয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবার জন্য পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ দিয়েছেন।এর মধ্যে যদি সরকারি কর্মচারী থাকে তাকে রেহাই করা হবে না বলে জানিয়েছেন।।