| ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |৩রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি September 14, 2026, 7:20 pm
শিরোনাম :
মনিরামপুরের নেহালপুর স্কুল এন্ড কলেজের নব গঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি ও পরিকাঠামো পরিদর্শনে, মন্ত্রী দিপঙ্কর জানা গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মদনে নববধূ নিয়ে ফেরার পথে জেনারেটরের ইঞ্জিলে চুল পেঁচিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল রিনা আক্তারের, মদনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, দিঘলিয়ায় ভবনের পেছন থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মদনে পল্লী বিদ্যুৎ ট্রান্সফর্মার চুরির হিড়িক,সেচ নিয়ে বিপাকে কৃষক, যশোর হাসপাতালে বৃদ্ধার স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের চেষ্টা, ধারালো কাটারসহ নারী গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা সোহেলের জামিন লাভ

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গাইনি বিভাগের অনিয়মের অভিযোগ: রোগীরা ভোগান্তিতে

এস.এম.শামীম খুলনা।।
  • আপডেটের সময়: বুধবার, অক্টোবর ২২, ২০২৫
  • 383 সময় দেখুন

রিপোর্টে ভুল, অতিরিক্ত টাকা আদায় ও রোগী হয়রানির অভিযোগে ক্ষোভ রোগী ও স্বজনদের”

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ও প্রসূতি বিভাগে একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ— ডা. ওয়াহিদা সুলতানা নামের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রিপোর্ট ভুল দেওয়া, নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া, এমনকি অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে।

রোগীদের দাবি, অনেক সময় সঠিক রিপোর্ট না পেয়ে চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ে। একজন রোগী বলেন, “একটি রিপোর্ট যদি ভুল হয়, তা একটি জীবন ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে। তবুও এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই।”

অভিযোগকারীরা আরও জানান, ডা. ওয়াহিদা সুলতানার সঙ্গে কথা বলতে গেলে অনেক সময় অহংকারী আচরণ ও অবহেলার শিকার হতে হয়। তাদের ভাষায়, “মনে হয় যেন পুরো মেডিকেল কলেজ তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি।”

বিভিন্ন সময় হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, অনেক রোগীকে বাইরে নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, ঐসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেন থাকতে পারে, যদিও তা এখনো প্রমাণিত নয়।

এই বিষয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলে তারা বলেন— অভিযোগের বিষয়ে তারা অবগত নন। লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের একটি সূত্র জানায়, সরকারি চিকিৎসকদের অনৈতিক আর্থিক কার্যক্রম বা রোগী হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এজন্য ভুক্তভোগীদের লিখিতভাবে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগে অভিযোগের এ ধরনের ঘটনা রোগী সেবার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
একটি রিপোর্ট বা পরামর্শই যদি কারও জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত হয়, তবে এ ধরনের অভিযোগের দ্রুত তদন্ত ও প্রতিকার জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর