| ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি August 5, 2026, 2:15 pm
শিরোনাম :
মানব পাচারকারীদের রুখতে সারা দেশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে কড়া নিরাপত্তায় ১৯, বছর পর কলকাতায় পা রাখলেন বিতর্কিত বাংলাদেশের লেখক তসলিমা নাসরিন আমতলীতে স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন ও ছোনাউঠা চারের খাল সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ গোপালগঞ্জে ট্রাক ও নসিমনের সংঘর্ষে কিশোর নিহত, আহত-২ ‎মদনে চরম বিদ্যুৎ সংকট, লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন। গোপালগঞ্জে শাওন মটরসের উদ্যোগে সুজুকি বাইকারদের গেট-টুগেদার অনুষ্ঠিত… মদনে মোবাইল কোর্টের পরিচালনা করে মাদক সেবনকারীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা, গত রবিবার ধূলিগাতীর মেয়ে খানপুরের ছেলে সাতগাতী মহাশ্মশানে অবৈধ কার্যকলাপে জনতার হাতে আটক। বিস্তারিত খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশ পাবে গোপালগঞ্জে পাইককান্দি পুকুর থেকে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার গত ২৪,শে জুলাই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে নিয়ে কলকাতার রাজপথে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রতিবাদে উস্তি থানাতে অভিযোগ পত্র দাখিল বিজেপি র সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দের।

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাঃ মামুনের ব্যাপক দুর্নীতি

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেটের সময়: রবিবার, জানুয়ারি ৪, ২০২৬
  • 133 সময় দেখুন

তরিকুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি:শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গত ২৯/০৯/২০২৫ ইং তারিখে ডাক্তার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন কর্তৃক প্রদেয় শিমুল নামে একজন নারীর মেডিকেল রিপোর্টে লেখা হয়েছে- (Sharp Cut Throat Injury In Scalp) মাথার ত্বকে ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বাস্তবে উক্ত নারীর মাথার ত্বকে হালকা কাটার চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

উপরোক্ত বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানকারী চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। এবিষয়ে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তৌফিক পারভেজ বলেন, এব্যাপারে আমার কিছুই করার নাই, রিপোর্ট প্রদানকারী ডাক্তার এটার জবাব দিবেন।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, উক্ত মেডিকেল রিপোর্ট গ্রহিতা নারী শিমুল শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুধুমাত্র মাথার ত্নকে হালকা কেটে যাওয়ার চিকিৎসা নিয়েছেন। তার এক নিকট আত্মীয়কে আদালতে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে উক্ত ডাক্তারের সাথে যোগসাজশে এই মিথ্যা রিপোর্ট নিয়েছেন। তার কয়েকটি প্রমাণও মিলেছে কিছু ফুটেজের মাধ্যমে এবং উক্ত চিকিৎসকের সাক্ষাতকারে।

উক্ত মামলার আইও এসআই শরিফুল (শার্শা থানা) এবিষয়ে জানান, তিনি তদন্ত করে গলায় কাটার কোন চিহ্ন পাননি।

 

এবিষয়ে যশোর বিজ্ঞ আাদালতে উক্ত রিপোর্ট সংযোজিত বিচারাধীন (জি আর নং-২৩৯/ ৩০-১০-২০২৫) মামলার বিবাদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি উক্ত মামলার বাদীকে কোন প্রকার আঘাত করিনি এবং তার সাথে আমার কোনরকম মারামারিও হয়নি। তিনি নিজেই কিভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন আমি জানিনা, সম্ভবত তিনি নিজেই নিজের মাথা কেটেছেন আমাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে। তিনি অর্থের বিনিময়ে চিকিৎসকের সাথে যোগসাজশে দুর্নীতি করে এই মিথ্যা রিপোর্ট নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর প্রমাণ স্বরূপ ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে বলে সাংবাদিককে উক্ত ভিডিও ফুটেজসহ অন্যান্য ফুটেজ ও প্রমাণাদি হস্তান্তর করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর