
মোঃ ইমরান হোসেন হৃদয় শার্শা, যশোর, প্রতিদিনি
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলাধীন নায়ড়া গ্রামে উপরোক্ত বিষয়ে সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়,
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঝিকরগাছা উপজেলার নায়ড়া গ্রামে এই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। নায়ড়া গ্রামের নওশের সরদারের ছেলে মুজিবর তাদের পারিপারিক কবরস্থানে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ধারণ করায় তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে একই গ্রামের মৃত মহম্মেদ এর ছেলে ফয়জুর মাস্টার তার পালিত সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য আব্দুল মালেকের ছেলে দিসান, আবু সাঈদের ছেলে সোহান হোসেন, মান্নানের ছেলে ফয়সাল, ইজানের ছেলে রাজা হোসেন, মিজানুর রহমানের ছেলে রাজা হোসেন ও দাড়িয়ার ছেলে ইজানুর রহমান রামদা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুজিবরের বাড়িতে যেয়ে মুজিবর, মুজিবরের দুই ভাইয়ের স্ত্রী রমিছা খাতুন ও মুনছুরা খাতুন, মুজিবরের ভাইয়ের মেয়ে সোনালির উপর বেধড়ক মারপিট এ শ্লীলতাহানি করে। হামলাকারীরা মারপিট করে ১টি মোবাইল সেট, ২টি স্বর্ণের চেইন, ১টি স্বর্ণের আংটি, ১টি নাকফুল ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ছিনতাইকৃত মালামালের মোট মূল্য ২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বলে ভুক্তভোগীরা জানায়। এঘটনার পর ভুক্তভোগীরা ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে ঐদিনই ঝিকরগাছা থানায় এব্যাপারে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
বিবাদীগণ সাক্ষাতকারে উক্ত ভিডিও ধারণ করার কারণেই ক্ষিপ্ত হয়ে বাদী পক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে বলে নিজেরাই স্বীকার করেছে।
উল্লেখ্য-গত ৩১/০৭/২০২৪ইং সালে কবরস্থানের সর্বমোট ৬৪ শতক জমির মধ্যে দশ শতক জমির মালিক জহির উদ্দিন ও ফয়জুল মাস্টার যোগজোশে জমির শ্রেণি পরিবর্তন দেখিয়ে তানজিলা খাতুনের নামে দলিল করেন। সেখানে ফয়জুর মাষ্টার তার পোষ্য ক্যাডারদের কে নিয়ে অবৈধ স্থাপনা তৈরি কালে-উক্ত কবরস্থানের অন্য শরিক দাতারা বাধা প্রদান করিলে সেই সময়েও তাদের/মুজিবরের পরিবারের উপর বেধড়ক হামলা চালায়-ঐ হামলার বিষয়ে একটি মামলা হয় যার নম্বর (জি আর ২৪০/২৪)।
পরবর্তীতে মুজিবর সরদার ভৃমি মন্ত্রণালয়ে সচিব বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করিলে সেই অভিযোগের কপি ঝিকরগাছা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নিকটে আসে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উভয়পক্ষকে একটি দিন নির্ধারণ করে সেখানে একটি সিদ্ধান্ত দেন।সেই সিদ্ধান্তে উভয়পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আদেশ করেন এবং বলেন রেকর্ডিও শ্রেণির জমির শ্রেণী পরিবর্তন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।উভয় পক্ষকে রেকর্ডীয় শ্রেণী মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য বলা হয়।কিন্তু ফয়জুর মাস্টার সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে কবরস্থানের উপরে প্রতিদিন রাতে নেশা দ্রব্য পানসহ গান-বাজনা ও বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর ঘটনা ঘটাতে থাকে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের উপর শ্রদ্ধা রেখে মুজিবর সর্দার গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে কবরস্থানের উপর অনৈতিক ঘটনা দেখতে পেয়ে মুজিবর একটি ভিডিও ফুটেজ ধারণ করতে গেলে তাকে হুমকি ধামকি দিয়ে বের করে দেওয়া হয় এবং সাথে সাথে তার ছোট ভাইয়ের দোকান নায়েরা বাজারে গিয়ে তার ভাইকে গালিগালাজ করে-পরবর্তী দিন সকাল ৯টার দিকে মুজিবর সর্দার ও তার পরিবারের উপর ফয়জুর মাস্টার এবং তার ভাই ইজান,ফয়জুরের বাহিনী কর্তৃক এই হামলার শিকার হয়।