| ১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |১৯শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি August 2, 2026, 2:27 am
শিরোনাম :
মানব পাচারকারীদের রুখতে সারা দেশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে কড়া নিরাপত্তায় ১৯, বছর পর কলকাতায় পা রাখলেন বিতর্কিত বাংলাদেশের লেখক তসলিমা নাসরিন আমতলীতে স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন ও ছোনাউঠা চারের খাল সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ গোপালগঞ্জে ট্রাক ও নসিমনের সংঘর্ষে কিশোর নিহত, আহত-২ ‎মদনে চরম বিদ্যুৎ সংকট, লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন। গোপালগঞ্জে শাওন মটরসের উদ্যোগে সুজুকি বাইকারদের গেট-টুগেদার অনুষ্ঠিত… মদনে মোবাইল কোর্টের পরিচালনা করে মাদক সেবনকারীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা, গত রবিবার ধূলিগাতীর মেয়ে খানপুরের ছেলে সাতগাতী মহাশ্মশানে অবৈধ কার্যকলাপে জনতার হাতে আটক। বিস্তারিত খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশ পাবে গোপালগঞ্জে পাইককান্দি পুকুর থেকে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার গত ২৪,শে জুলাই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে নিয়ে কলকাতার রাজপথে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রতিবাদে উস্তি থানাতে অভিযোগ পত্র দাখিল বিজেপি র সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দের।

দিঘলিয়ার বারাকপুর খেয়াঘাটে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়াই টোল আদায়ের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, মে ২২, ২০২৬
  • 117 সময় দেখুন

দিঘলিয়া খুলনা প্রতিনিধি।।

খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর খেয়াঘাটে চলতি মে মাসে বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার না থাকলেও টোল আদায় চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘাটটির ইজারা সংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতার সুযোগে বর্তমানে দুইটি পক্ষ পাল্টাপাল্টি টোল আদায় করছে। এতে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের মাঝে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বারাকপুর খেয়াঘাটে প্রতিদিন শত শত মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পারাপার হয়ে থাকে। তবে মে মাসের জন্য নতুন কোনো বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার বা ইজারা অনুমোদনের কাগজপত্র প্রকাশ না হলেও ঘাটে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সকালে এক পক্ষ টোল আদায় করলে বিকেলে আরেক পক্ষ এসে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ দাবি করে টাকা আদায় করছে। এ নিয়ে মাঝে মধ্যেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে না চাইলেও তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী বলেন,
“আমরা বুঝতে পারছি না কাকে টাকা দেবো। একপক্ষকে টাকা দিলে পরে আরেকপক্ষ এসে আবার টাকা দাবি করে। এতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বের ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও নতুনভাবে ওয়ার্ক অর্ডার অনুমোদন হয়নি। অথচ সেই সুযোগে কিছু ব্যক্তি নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে টোল আদায় অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কেউ স্পষ্ট বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে একটি পক্ষ দাবি করেছে, তারা পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘাট পরিচালনা করছে। অপর পক্ষের দাবি, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তারাই বৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

এদিকে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়া কীভাবে প্রকাশ্যে টোল আদায় চলছে এবং প্রশাসন কেন এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে বৈধতা যাচাইসহ অবৈধ টোল আদায় বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর