কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।গতকাল পশ্চিম বাংলার বিধান সভার সদস্য ও তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা শ্রী বিভাস সর্দার নিজের বিধান সভা কেন্দ্র এলাকায় আক্রান্ত হয়েছে।
তার অভিযোগ যে প্রতিদিনের মত তার বিধান সভা এলাকায় বিভিন্ন যায়গায় সরকারি কাজে এবং দলীয় কাজে সাধারণ মানুষের কাছে যেতে হয়। সেই হিসেবে তিনি তার বিধান সভা এলাকার জয়নগর থানার অন্তর্গত ঢোষা হাট বাজার থেকে কিছুটা দূরে মনসাতলায় কিছু বিজেপি র সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ ও কর্মী দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। বিধায়ক বিভাস সর্দার এর অভিযোগ যে তাকে মেরে ফেলতে এই হামলা চালিয়েছে সমাজ বিরোধীরা।
তার গাড়ি ভাংচুর করে বিজেপি র নেতা ও কর্মীরা। এবং তিনি নিজেই আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তার চোখে গুরুতর আঘাত হয়েছে। তবে জয়নগর থানার পুলিশ ও ঢোসা ফাঁড়ির পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। তবে এই ঘটনার পিছনে যেতে গেলে এবং বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক ও তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা বিভাস সর্দার আক্রান্ত হবার পিছনে বহু রহস্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষ জন।
তাদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে তৃনমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকতে তিনি ও তার দলবল এলাকায় লুটতরাজ চালিয়েছে। সেই সঙ্গে আদি গঙ্গা র মাটি তুলে কোটি কোটি টাকা বিক্রি করেছে। এবং বিভিন্ন পঞ্চায়েত ও সমিতির এবং জেলা পরিষদ থেকে রাস্তা ঘাট নদী বাঁধ ভাঙণ রুখতে এবং নালা পরিস্কার এবং সরকারি ঘরের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা তছরূপ করেছেন। এবং বারুইপুর পূর্বের নবগ্রাম অঞ্চল,বৃন্দাখালী,সহ বিভিন্ন অঞ্চলের রাস্তা ঘাট এবং বিভিন্ন সরকারি অনুদান থেকে কোটি কোটি টাকা আদায় করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি র সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ।
তাদের দাবি আদি গঙ্গা র মাটি বেজে কোটি টাকা কামিয়েছে বিধায়ক বিভাস সর্দার এবং তার দোসররা। এবং স্হানীয় পঞ্চায়েতের প্রধান থেকে শুরু করে গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যদের কাছ থেকে টাকা পয়সা আদায় করেছেন বলে জানা গেছে। বারুইপুর পূর্বের নবগ্রাম অঞ্চল বৃন্দাখালী চরন ও সূর্যাপুর ও চাম্পাহাটি ও ঢোসা ফাঁড়ি এলাকায় দুনদুন ও জানালে এবং নবগ্রাম অঞ্চলের মস্তান নিয়ে সাধারণ মানুষের উপর জুলুম ও ভয় দেখিয়ে টাকা পয়সা আদায় করেছেন।সরকারি অনুদান ও ঘরের টাকা পয়সা থেকে কাটমানির কমিশন পর্যন্ত পেয়েছে বলে জানা গেছে।
সেই সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যে তিনি নামে ও বেনামে কোটি কোটি টাকা খরচ করে বাগানবাড়ি ও রিসোর্ট হোটেল বানিয়েছেন ধপধপি ও উত্তরভাগ রামনগর এলাকায়। সাধারণ মানুষের একশত দিনের কাজ এর টাকা পয়সা থেকে কাটমানির কমিশন তার পৌঁছে যেত বলে জানিয়েছেন বিজেপি র সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ।আদি গঙ্গা র মাটি বেজে সেই মাটি পৌঁছে যেত বেআইনি ইটভাটায়। সেই সমস্ত ইটভাটার মালিকদের ভয় দেখিয়ে টাকা পয়সা আদায় করেছেন তার তৃণমূল দলের নেতৃবৃন্দ। তবে নিজেকে বাঁচাতে প্রথমে বিধান সভায় ভালো তৃনমূল কংগ্রেসের সদস্য হওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সেই সময় বারুইপুর পূর্বের তৃনমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যারা ছিল তারা ভালো চোখে দেখেনি। সেই ঘটনা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি ছিল।
এবং এর পর তিনি চাপে পড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পর এমন ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন তুলেছেন। এবং গতকাল জয়নগর থানা এলাকায় মনসাতলার ঘটনার সঙ্গে কি যোগ রয়েছে তা বারুইপুর জেলা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে বিগত তৃনমূল কংগ্রেসের সরকারের আমলে বারুইপুর পূর্বের বিভিন্ন যায়গায় তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের উপর জুলুম ও অত্যাচার চালিয়েছে।
সেই সঙ্গে বিজেপি র সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ কে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে ও তাদের কে মারধর করেছে বিভিন্ন সময়ে।সেই সময়ের রাগের কড়ায় গন্ডায় মিটিয়ে দিয়েছে নাকি তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।